[gtranslate]

গ. শুচিবাই ও আবেগপ্রবণ সমস্যা - কোর্স

সর্বদা মনে রাখবেন, জীবন সুন্দর!

গ. শুচিবাই এবং আবেগপ্রবণ সমস্যা

[arttao_ag_course_entrance_c]

[arttao_ag_group_gate group=”C”]

পাঠ ১৯: শুচিবাই এবং আবেগপ্রবণতা (পাঠ ৬৮১-৭২০)

অবসেসিভ-কম্পালসিভ ডিসঅর্ডার (ওসিডি) একটি মানসিক রোগ, যার বৈশিষ্ট্য হলো বারবার ফিরে আসা অবসেসিভ চিন্তা এবং কম্পালসিভ আচরণ। রোগীরা প্রায়শই সচেতন থাকেন যে এই চিন্তা বা আচরণগুলো অযৌক্তিক, কিন্তু তারা এগুলো নিয়ন্ত্রণ করতে পারেন না, যার ফলে উদ্বেগ, সময় উপলব্ধির সমস্যা এবং দৈনন্দিন কাজকর্মের অবনতি ঘটে। এই ব্যাধিটির চিকিৎসার জন্য আচরণগত হস্তক্ষেপ এবং কগনিটিভ থেরাপি প্রয়োজন।

পাঠ ২০: দেহের গঠনগত ব্যাধি (পাঠ ৭২১-৭৬০)

 শারীরিক বিকৃতি হলো নিজের বাহ্যিক রূপ সম্পর্কে একজন ব্যক্তির নিজস্ব উপলব্ধি, যা অতিরিক্ত মনোযোগ এবং অস্বীকারের জন্ম দিতে পারে, এমনকি যা স্বাভাবিক দেখায় তাকেও 'কুৎসিত' বলে বিশ্বাস করার পর্যায়ে নিয়ে যেতে পারে। এর ফলে ক্রমাগত আত্ম-প্রতিফলন ঘটে, যার সাথে বারবার নিজেকে পরীক্ষা করা, গোপন করা এবং সামাজিক মেলামেশা এড়িয়ে চলার মতো আচরণ দেখা যায়, যা আত্মসম্মান এবং সম্পর্কের উপর মারাত্মক প্রভাব ফেলে।

পাঠ ২১: মজুত করার প্রতিবন্ধকতা (পাঠ ৭৬১-৮০০) 

জিনিসপত্র জমানো একটি সাধারণ মনস্তাত্ত্বিক ও আচরণগত ব্যাধি, যার বৈশিষ্ট্য হলো জিনিসপত্র জমিয়ে রাখা, সেগুলো ফেলে দিতে অসুবিধা হওয়া এবং অগোছালো বাসস্থান সত্ত্বেও এক ধরনের নিরাপত্তাবোধ। এই ব্যাধিতে আক্রান্ত ব্যক্তিদের প্রায়শই বিশেষ আবেগঘন তাৎপর্যপূর্ণ জিনিস থাকে, সেগুলো হারানোর পরিণতির ভয় থাকে এবং এই জিনিসপত্র জমানোর আচরণ প্রায়শই পারিবারিক কলহ ও জীবন-কঠিন পরিস্থিতির সৃষ্টি করে।

পাঠ ২২: ট্রাইকোটিলোম্যানিয়া (পাঠ ৮০১-৮৩০) 

এটি একটি সাধারণ ব্যাধি, যা এমন রোগীদের প্রভাবিত করে যারা মানসিক চাপ কমানোর জন্য বারবার নিজেদের চুল, ভ্রু বা শরীরের অংশ ছিঁড়ে ফেলেন, তবে এর সাথে লজ্জা বা অন্যান্য অভ্যন্তরীণ সমস্যাও দেখা দিতে পারে। এর লক্ষণগুলো প্রায়শই মানসিক চাপের সাথে সম্পর্কিত এবং এর জন্য আচরণগত প্রশিক্ষণ ও মানসিক সমর্থনের সমন্বয় প্রয়োজন।

পাঠ ২৩: ত্বক ওঠা সিন্ড্রোম (পাঠ ৮৩১-৮৬০)

ত্বক ফাটানোর ব্যাধি একটি আচরণগত ব্যাধি, যেখানে রোগীরা উদ্বেগ কমাতে বা সাময়িক আনন্দ পেতে বারবার নিজেদের ত্বক আঁচড়ায় বা ফাটায়। এই আচরণের ফলে ত্বকে স্থায়ী ক্ষত বা দাগ সৃষ্টি হতে পারে এবং এর সাথে প্রায়শই অন্তর্নিহিত আবেগ নিয়ন্ত্রণজনিত ব্যাধি ও আত্মনিয়ন্ত্রণের দুর্বলতা থাকে।

পাঠ ২৪: আবেগ নিয়ন্ত্রণজনিত ব্যাধি (পাঠ ৮৬১-৯০০)

নিয়ন্ত্রণজনিত ব্যাধি হলো এক ধরনের আচরণগত অসংযম, যার মধ্যে অন্তর্ভুক্ত রয়েছে প্রভাব প্রতিরোধ করতে না পারা, আবেগপ্রবণ কাজ এবং ঘটনার পরবর্তী স্মৃতি মনে পড়ে যাওয়া। এগুলি হঠাৎ করে রেগে যাওয়া, ধ্বংসাত্মক আচরণ বা অতিরিক্ত খাওয়ার প্রবণতা হিসাবে প্রকাশ পেতে পারে এবং প্রায়শই এর মূলে থাকে আবেগগত ও জ্ঞানীয় ভারসাম্যহীনতা।